পরিবহন মালিকরা বলছে ব্যয় বাড়বে ৭০ শতাংশ

দ্রুত ভাড়া বৃদ্ধির দাবি
স্টার ফাইল ছবি

কেবল জ্বালানির দাম বৃদ্ধিই নয়, যানবাহনের খুচরা যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়ে ভাড়া নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কাছে চিঠি দিয়েছেন পরিবহন মালিকরা ।

কর্মকর্তা ও পরিবহন নেতারা জানান, গাড়ির খুচরা যন্ত্রাংশের ৬টি আইটেম ২০২০ সালের তুলনায় গড়ে ২৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া গতকাল ঘোষিত জ্বালানির দাম ৪২ দশমিক ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মোট ৭০ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ আজ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখে এ সকল বিষয় বিবেচনা করে দ্রুত বাস ভাড়া পুনঃ-নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনারা কি বাস ভাড়া ৭০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি করছেন জানতে চাইলে এনায়েত উল্লাহ বলেন, 'আমরা বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেছি। এখন ভাড়া নির্ধারণ কমিটি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।'

তিনি আজ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমরা নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাড়া বাড়ানোর কোনো নির্দিষ্ট করিনি।'

গত বছরের নভেম্বরে সরকার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ানোর পর কর্তৃপক্ষ বাস ভাড়া ২৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছিল।

চিঠিতে, পরিবহন মালিকদের সংগঠন ২০২০ এবং ২০২২ সালে টায়ার, লুব্রিকেন্ট এবং ফিল্টারসহ ৬টি খুচরা যন্ত্রাংশের বৃদ্ধির মধ্যে তুলনা করেছে।

তবে কর্তৃপক্ষ এই সমস্ত বিষয়গুলো সমন্বয় করে ২০২১ সালের নভেম্বরে বাস ভাড়া বাড়ায়।

খুচরা যন্ত্রাংশের ২৭ দশমিক ৫৫ দাম বাড়ানোর কথা এখন কেন বলছেন জানতে চাইলে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, ডলারের দাম 'অস্বাভাবিক' বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের নভেম্বর থেকে খুচরা যন্ত্রাংশের এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।

বিআরটিএ'র এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, জ্বালানি তেলের রেকর্ড দাম বৃদ্ধি তাদের একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি ডেইলিকে বলেন, 'লোকসান দিয়ে বাস মালিকরা বাস চালাবে না। আমরা কত ভাড়া বাড়াবো? আমরা একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছি।'

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির একদিন পর বাস ভাড়া পুনরায় নির্ধারণের জন্য আজ সরকারের পক্ষ থেকে ভাড়া নির্ধারণের মিটিং হবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সদর দপ্তরে বিকেল ৫টায় এই বৈঠক শুরু হবে বলে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন।

Comments

The Daily Star  | English

A daily battle for every drop

Shrinking ponds, salt-filled tubewells leave thousands relying on murky water to survive

12h ago