প্রমোশনাল কনটেন্ট

দারাজ ১১.১১: প্রথম ২৪ ঘণ্টায় কেনাকাটার উচ্ছ্বাস

প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হয়েছে বছরের সবচেয়ে বড় সেল ইভেন্ট দারাজ ১১.১১। প্রথম দিনেই ক্রেতাদের ভিড় জমে উঠেছে দারাজে।

সারা দেশের মানুষ মেতে উঠেছে উৎসবের আমেজে, যেখানে পছন্দের পণ্যে মেলে দারুণ সব অফার, আর কেনাকাটার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে চলেছে সবাই।

কোন পণ্যে বেশি ঝোঁক?

প্রথম দিনের কেনাকাটায় স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য, গ্রোসারি ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিল। দ্রুততম ডেলিভারির চমকও ছিল সেখানে। যেমন, এক ক্রেতা রাতে ডেটল হ্যান্ডওয়াশ অর্ডার দিয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠেই হাতে পান, যা দারাজের দ্রুত সেবার উদাহরণ।

প্রিয় ব্র্যান্ডের প্রতি ভরসা

হায়ার, টেকনো আর লোটোর মতো ব্র্যান্ডে ক্রেতাদের আস্থা যেন আরও বেড়েছে। প্রথম দিন থেকেই এই ব্র্যান্ডগুলোতে অর্ডারের চাপ ছিল তুঙ্গে। বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডগুলো দারাজে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে বলে ক্রেতারা নিজেদের কেনাকাটায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।

অপ্রত্যাশিত বেস্টসেলার

প্রতি বছরের মতোই ১১.১১ এ ক্রেতাদের কেনাকাটার তালিকায় ছিল কিছু মজার চমক। শীতের আগমনের সময়ে অপ্রত্যাশিতভাবে দেড় টন এয়ার কন্ডিশনারের চাহিদা বেড়েছে। পাশাপাশি ডিম সংরক্ষণের র‍্যাক ও ডেকোরেটিভ এলইডি লাইটের মতো অভিনব পণ্যও উঠে এসেছে বেস্টসেলার তালিকায়, যা এই সেলে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

ফ্রি ডেলিভারির আনন্দ

১১.১১ এর প্রথম দিনেই প্রায় ৮৫ শতাংশ ক্রেতা উপভোগ করেছেন ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা। এই সুবিধা পেয়ে ক্রেতারা খুশি হয়েছেন এবং কেনাকাটার খরচ কিছুটা কমে যাওয়ায় আরও পণ্য কিনতে উৎসাহ পেয়েছেন।

বিক্রেতাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ

দারাজের এই মেগা সেল শুধু ক্রেতাদের জন্যই নয়, বিক্রেতাদের জন্যও এনে দিয়েছে ব্যবসার প্রবৃদ্ধির সুযোগ। প্রথম দিনেই দারাজের বিক্রেতারা অন্যান্য সময়ের তুলনায় ৫ গুণ বেশি অর্ডার পেয়েছেন, যা স্থানীয় ব্যবসার প্রসারে দারাজের অবদানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

দারাজ ১১.১১ শপিং ফেস্টিভ্যাল ইতিমধ্যেই ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য রেকর্ড গড়েছে। এই উৎসব চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত, তাই সিজনের সেরা ডিল মিস না করার জন্য এখনই খুঁজুন দারাজে।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দারাজ দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যা পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং মিয়ানমারে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এটি ৫০ কোটির ও বেশি মানুষের বৃদ্ধিশীল এই অঞ্চলে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সর্বাধুনিক মার্কেটপ্লেস প্রযুক্তি প্রদান করে। ই-কমার্স, লজিস্টিকস, পেমেন্ট ও আর্থিক পরিষেবাগুলিকে নিয়ে এক সমন্বিত অবকাঠামো গড়ে দারাজ উন্নত শপিং অভিজ্ঞতা প্রদান এবং ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি করে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজ করছে।

Comments

The Daily Star  | English

The magic of Khaleda Zia

Her last speeches call for a politics of ‘no vengeance’

3h ago