ইসরায়েলে নতুন করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত অন্তত ১৭

দক্ষিণ ইসরায়েলের বীরশেবার একটি আবাসিক এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার স্থান পরীক্ষা করছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। ছবি: এএফপি

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে গত ৮ দিন ধরে চলছে হামলা-পাল্টা হামলা।

যুদ্ধের অষ্টম দিন আজ শুক্রবার ইসরায়েলে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরান।

টাইমস অব ইসারায়েল জানিয়েছে, হাইফায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দুজন গুরুতর আহত। এছাড়া আরও ১৫ জন আহত হয়েছে।

তেল আবিব ও বিয়ারশেবাতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ইসারায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরান থেকে প্রায় ২৫টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।

তবে, হামলায় দক্ষিণ ও মধ্য ইসরায়েলে কেউ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে বার্তাসংস্থা এএফপিও নতুন করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য জানিয়েছে।

টেলিভিশনের প্রতিবেদনে উপস্থাপককে 'অধিকৃত অঞ্চলের (ইসরায়েল) আকাশে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আগমনের ছবির' বর্ণনা দিতে শোনা যায়। 

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

বিবৃতিতে বলা হয়, 'কিছুক্ষণ আগে ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে। ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি এলাকায় সাইরেন বেজেছে।'

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গত রাতে তারা তেহরানের বেশকিছু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। এর মধ্যে 'ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র প্রকল্পের গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র' অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলে ১০০টির বেশি ড্রোন ছোড়া হয়েছে।

চার দিন আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে বিধ্বস্ত একটি ভবন থেকে বৃহস্পতিবার এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

ইরান গত রোববার জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় সামরিক কমান্ডার, পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং বেসামরিক নাগরিকসহ অন্তত ২২৪ জন নিহত হয়েছে। এরপর থেকে আর কোনো নিহতের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

Comments

The Daily Star  | English
enforced disappearance report Bangladesh

75% of disappearance survivors Jamaat-Shibir, 68% of those still missing BNP

Commission of Inquiry on Enforced Disappearances submits final report to CA Yunus

11h ago