চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিল দেখতে খুব ভালো লাগছে বাভুমার

Temba Bavuma

এবার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চক্রের শুরুর দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট দলটাকে বলা হচ্ছিল অনভিজ্ঞতায় ভরা, তাদের নিয়ে ফাইনালের বাজি ধরার লোকের সংখ্যা হয়ত খুব একটা ছিলো না। তবে ঘরে-বাইরে দারুণ ক্রিকেট উপহার দিয়ে টেম্বা বাভুমার দলই সবার আগে ফাইনালের খুব কাছে। প্রোটিয়া অধিনায়ক এই অবস্থায় উচ্ছ্বসিত হলেও শেষটাও একই ছন্দে টানতে চান।

শ্রীলঙ্কাকে ঘরের মাঠে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের পয়েন্ট হার এখন ৬৩.৩৩%। ৬০.৭১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে অস্ট্রেলিয়া ও ৫৭.২৯ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ভারত।

ফাইনালে যেতে বাকি সব দল থেকে এখন সহজ সমীকরণ দক্ষিণ আফ্রিকার। বাকি থাকা দুই টেস্টের একটা জিতলেই প্রথমবারের মতন ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই দুই টেস্ট ঘরের মাঠে হওয়ায় তাদের কাজটা আরও সহজ।

গেবেখায় শ্রীলঙ্কাকে ১০৯ রান হারানোর পর বাভুমা তৃপ্তির সঙ্গে বলছেন কাজটা পরিপূর্ণ করতে চান তারা,  'চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিল দেখতে খুব ভালো লাগছে। দুই ম্যাচ বাকি থাকা অবস্থায় আমরা নিজেদের টেবিলের শীর্ষে দেখছি। আমি জানি না কী অঙ্ক বাকি আছে কিন্তু আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি এবং আমরা এটা ধরে রাখতে চাই শেষ পর্যন্ত, কাজটা এখনো বাকি।'

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ৩২৭ রান করে সিরিজ সেরা হয়েছেন বাভুমা। তিনি ছাড়াও আরও কয়েকজন রেখেছেন অবদান। ট্রিস্টিয়ান স্টাবস করেন ১৮৭ রান, অলরাউন্ডার মার্কো ইয়ানসেন নেন ১৪ উইকেট, স্পিনার কেশব মহারাজ ৯ উইকেট নিয়ে রাখেন অবদান।

শেষ টেস্ট একটা সময় পর্যন্ত শ্রীলঙ্কাও ভালোই লড়াইয়ের আভাস দিচ্ছিল, পরে যদিও পরে উঠেনি। তবে ভালো লড়াই হওয়ায় তার খেলোয়াড়দের লাভ দেখেছেন প্রোটিয়া কাপ্তান,  'অনেকের জন্যই টেস্টের নিখাদ পরীক্ষা হয়েছে। পাঁচদিন খেলা কিছুটা বিরল, পাঁচদিন ভারসাম্য অবস্থায় থাকাও বিরল। কিছু সময় আমরা দাপটে ছিলাম, কিছু সময় শ্রীলঙ্কা মোমেন্টাম পাচ্ছিলো।'

এদিকে শ্রীলঙ্কা হেরেও ফাইনালের সমীকরণ থেকে ছিটকে যায়নি। নিজেদের শেষ দুই টেস্টে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে হবে তাদের। এরপর তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের ফলের দিকে।

Comments

The Daily Star  | English

Trump says US oil firms to head into Venezuela

US companies to invest heavily in Venezuela’s oil sector, Trump says

2h ago