প্রথম বছর থেকে দ্বিতীয় বছরে কী বদলেছে জানেন না বেলিংহ্যাম
রিয়াল মাদ্রিদ ১–০ জুভেন্টাস।
আর বেলিংহাম?
ফিরেছেন নতুন আত্মবিশ্বাস, নতুন ছন্দ, আর পুরনো জৌলুস নিয়ে।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সাদা গ্যালারি যেন আবারো একসঙ্গে গেয়ে উঠল 'হে জুড'
দীর্ঘ চার মাসের অপেক্ষা, চোট আর সমালোচনার পাহাড় পেরিয়ে অবশেষে আবারও গোলের দেখা পেলেন জুড বেলিংহাম। বুধবার রাতে জুভেন্টাসের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে তার একমাত্র গোলেই জয় পায় ১৫ বারের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা। তার চিরাচরিত দুই হাত ছড়িয়ে দেওয়া উদযাপন যেন জানিয়ে দেন -চোট, চাপ, সমালোচনা সব পেরিয়ে তিনি আবার আগের জায়গায় ফিরে এসেছেন।
ম্যাচের ৫৭ মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। রিবাউন্ডটি দারুণ দক্ষতায় জালে ঠেলে দেন বেলিংহাম। এই এক মুহূর্তেই যেন মুছে যায় চারপাশের সব সংশয়। গত ২২ জুন ক্লাব বিশ্বকাপে পাচুকার বিপক্ষে গোল করার পর এই প্রথম জালের দেখা পেলেন ইংলিশ মিডফিল্ডার।
ম্যাচ শেষে বেলিংহামের মুখে ছিল স্বস্তির হাসি, কণ্ঠে ছিল উচ্ছ্বাস, 'অবিশ্বাস্য এক অনুভূতি। অনেক দিন পর গোল পেলাম। এমন মুহূর্তের স্বপ্নই দেখি -চ্যাম্পিয়ন্স লিগে, বড় দলের বিপক্ষে, নিজের মাঠে জয়সূচক গোল করা। প্রথমবার মৌসুমে শুরুর একাদশে নামলাম, খুব ভালো লাগছিল মাঠে। গোলটা শুধু আমার জন্য নয়, দলকেও সাহায্য করেছে। এটা আমার জন্য দারুণ এক রাত।'
প্রথমার্ধে অবশ্য বেলিংহামকে কিছুটা ছন্নছাড়া লাগছিল। জাবি আলোনসোর নতুন মিডফিল্ড সেটআপে কিছুটা অস্বস্তিও ছিল স্পষ্ট। তবু দুইটি গুরুত্বপূর্ণ পাস আর বক্সে উপস্থিত বুদ্ধি, এই দুই অস্ত্রেই তিনি প্রমাণ করলেন, তার ক্লাস এখনো অটুট।
গত মৌসুমের পারফরম্যান্স যে নিখুঁত ছিল না তা নিজেও স্বীকার করেছেন তিনি, 'প্রথম মৌসুমে আমরা নানা ফরমেশনে খেলেছিলাম। কার্লো সবসময় খেলোয়াড়দের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ব্যবহার করতে ভালোবাসেন। আমি জানি না প্রথম বছর থেকে দ্বিতীয় বছরে কী বদলেছিল। তবে আমার পারফরম্যান্সের ওঠানামা ছিল, সেটা আমি মানি। কিন্তু এটাকে ব্যর্থতা বলব না ১৫ গোল, ১৪ অ্যাসিস্ট দিয়েছিলাম। ভালো মুহূর্তও ছিল প্রচুর।'


Comments