জীবনের সেরা সময় পার করছি: স্বাগতা

জিনাত শানু স্বাগতা। ছবি: সংগৃহীত

জিনাত শানু স্বাগতা একাধারে অভিনয়শিল্পী, গায়িকা, উপস্থাপিকা। শোবিজের নানা অঙ্গনে কাজ করছেন অনেক বছর ধরে। তবে, কিছুদিন হলো কাজ থেকে দূরে আছেন। কারণ সম্প্রতি তিনি মা হয়েছেন।

স্বাগতা বলেন, সন্তানের জন্ম হয়েছে দেশের বাইরে। ওর ১২ দিন যেদিন হয়, সেদিন দেশে ফিরি। তারপর থেকে দেশেই আছি।

'এখন আমার সময় কাটছে সন্তানের সঙ্গে। জীবনের সেরা সময় পার করছি। ফেলে আসা জীবনে অনেক সুন্দর সময় পার করেছি। কিন্তু এখনকার সময়টা সবচেয়ে সুন্দর।'

সন্তানের নাম রেখেছেন মারইয়াম সর্বজয়া সানু আজাদ। স্বাগতা বলেন, একজন মায়ের কাছে সন্তান অনেক দামি। আমার সারাবেলা কাটছে সর্বজয়ার সঙ্গে। ওর হাসিমুখই আমার সুখ।

'কয়েকদিন আগে সন্তানকে নিয়ে রাজধানীতে একটি চিত্র প্রদর্শনী দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে কিছুটা সময় কাটিয়েছি। ওকে খুব বেশি বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়নি। লিটন কর দাদা ও সুষমা সরকার আমার আপন মানুষ। সেজন্য লিটন কর দাদার প্রদর্শনীতে গিয়েছিলাম।'

ছবি: শেখ মেহেদী মোর্শেদ/স্টার

স্বাগতার বাবা ছিলেন একজন সংগীতশিল্পী। তার জীবদ্দশায় 'আনন্দম' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়েছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব এখন নিয়েছেন স্বাগতা। বলেন, 'বাবার করা আনন্দম নিয়ে অনেক স্বপ্ন আছে। অনেক পরিকল্পনা করছি। এটার অফিস নেওয়া হয়েছে। সেখানেও এখন সময় দিতে হচ্ছে।'

'বাবার প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে একটি একাডেমি করতে চাই। সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।'

ছবি: শেখ মেহেদী মোর্শেদ/স্টার

নতুন করে অভিনয়-গান-উপস্থাপনায় ফেরার বিষয়ে স্বাগতা বলেন, একটু সময় লাগবে। কম করে হলেও ছয় মাস তো লাগবেই। আপাতত সন্তানকে সময় দিতে চাই। ওর পাশে থাকতে চাই। এখন আমার নতুন ভুবন হয়েছে। সন্তান বেড়ে উঠুক সুন্দর করে।

'একটি টিভি চ্যানেলে উপস্থাপনা করতাম। ওটা শুরু করতে পারি আগামীতে। দেখা যাক কবে শুরু করি।'

উল্লেখ্য, স্বাগতা অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন, স্টেজে গান করেছেন। একইসঙ্গে বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। নায়ক মান্নার বিপরীতেও সিনেমা করেছেন তিনি।

Comments

The Daily Star  | English
‘King’s parties’ rounded up for polls

Towards hope, with the vote in sight

We step into the new year with hope and optimism as new beginnings are wont to be, the national election on the horizon is all the more reason to look ahead to 2026.

8h ago