সোমবার থেকে শীত আরও বাড়বে
সকাল গড়িয়ে দুপুরে সূর্য উকি দিলেও এখনো চারদিক কুয়াশাচ্ছন্ন। আরও কমে গেছে রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা।
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল ছিল ১৩ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'শিগগির এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে সিলেট-ময়মনসিংহসহ পূর্বাঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। এছাড়া, রাজশাহী-চুয়াডাঙ্গাসহ পশ্চিমাঞ্চলেও তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।'
'রোববার সূর্যের দেখা মিলতে পারে। তবে সোমবার থেকে আবারও শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করবে,' যোগ করেন তিনি।
সূর্যের দেখা মিললেও উজ্জ্বল কিরণ পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক। বলেন, 'মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত চারপাশ কুয়াচ্ছন্ন থাকবে। ধীরে ধীরে কুয়াশার ঘনত্ব কমে আসবে।'
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘ মেয়াদি পূর্বাভাস অনুসারে, চলতি মাসেই দুই-তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং এক-দুটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্য প্রবাহ বয়ে
যেতে পারে।
কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে ১০ থেকে আট দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, আট থেকে ছয় দশমিক এক ডিগ্রি হলে মাঝারি, ছয় থেকে চার দশমিক এক ডিগ্রি হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা আরও কমে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
আজ তিন জেলার স্টেশনে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। জেলাগুলো হলো—নওগাঁর বদলগাছি, পাবনা ও রাজশাহী।
রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, এসব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে এবং শৈত্যপ্রবাহের আওতা বাড়তে পারে।
আবুল কালাম মল্লিক বলেন, 'সোমবার থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে এবং ঘন কুয়াশা আচ্ছন্ন থাকবে চারপাশ।'
'কিছু জায়গায় মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে। এই ধারাবাহিকতায় দুএক জায়গায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ—অর্থাৎ তাপমাত্রা ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে,' বলেন এই আবহাওয়াবিদ।


Comments