বছরের প্রথম দিনে গাজার সমর্থনে তুরস্কে সমাবেশ, দেখুন ছবিতে

ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে গালাতা ব্রিজে জড়ো হওয়া মানুষের ভিড়। ছবি: রয়টার্স

গাজার প্রতি সমর্থন জানাতে হাজার হাজার প্রতিবাদকারী তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন। গত বছরও একই ধরনের প্রতিবাদ হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ছেলে বিলাল এরদোয়ান ওই সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন।

নতুন বছরের প্রথম দিনে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে ইস্তাম্বুলের গালাতা ব্রিজের কাছে হাজারো মানুষ জড়ো হয়। ছবি: রয়টার্স

গতকাল বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুল থেকে আল জাজিরার তুরস্ক প্রতিবেদক সিনেম কোসেওগুলু জানান, নতুন বছরের প্রথম দিনেই মানুষ তাদের সমর্থন জানায়। 

কোসেওগুলু জানান, ফুটবল ক্লাবগুলোও তাদের সমর্থকদের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানায়।

সমাবেশে বিশ্বখ্যাত শিল্পী ও সংগীতশিল্পীরাও তাদের পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। ছবি: রয়টার্স

তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিন এমন একটি বিষয় যা দেশের সব রাজনৈতিক দলের সমর্থন পায়—সরকারি এ কে পার্টি থেকে শুরু করে প্রধান বিরোধী দলগুলোও।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে গালাতা ব্রিজে তৈরি মঞ্চ থেকে ফিলিস্তিনিদের জন্য দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে গাজায় সংস্কৃতি ও শিল্পের ওপর হামলার বিষয়টি তুলে ধরতে ব্রিজে ‘রুটস’ নামে একটি শিল্পকর্ম প্রদর্শন করা হয়। ছবি: রয়টার্স

প্রতিবাদকারীরা ভোরের আগে হায়া সোফিয়া গ্র্যান্ড মসজিদ, সুলতানাহমেত, ফাতিহ, সুলেমানিয়ে ও এমিনোনু নিউ মসজিদে জমায়েত হয়ে গাজায় হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করার দাবি জানান। অনেকেই সমর্থন দেখানোর জন্য মসজিদ চত্বরে তুর্কি ও ফিলিস্তিনি পতাকা প্রদর্শন করেন।

তীব্র শীত সত্ত্বেও উপস্থিতি ছিল ব্যাপক; এ সময় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ছবি: রয়টার্স

তীব্র শীতেও উপস্থিতি বেশ লক্ষ্যণীয় ছিল। কর্তৃপক্ষ ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিল। সুলতানাহমেত স্কয়ারের আশেপাশে সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের জন্য গরম পানীয় সরবরাহ করা হয়।

সমাবেশ সামনে রেখে ফজরের নামাজের আগে ইস্তাম্বুলের বিভিন্ন বড় মসজিদের চত্বরে জড়ো হয় মানুষ। ছবি: রয়টার্স

ফজরের নামাজের পর প্রতিবাদকারীরা গালাতা ব্রিজের দিকে পদযাত্রা শুরু করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সরকারি কর্মসূচি শুরু হয় স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে।

Comments

The Daily Star  | English
Khaleda Zia political legacy in Bangladesh

The magic of Khaleda Zia

Her last speeches call for a politics of ‘no vengeance’.

20h ago