নাটোরে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ডা. এ. এইচ. এম. আমিরুল ইসলাম | ছবি: সংগৃহীত

নাটোরে একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বাংলাদেশ ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের (ড্যাব) সাবেক নেতা ডা. এ. এইচ. এম. আমিরুল ইসলামের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার দুপুরে শহরের মাদ্রাসা মোড় এলাকায় জনসেবা হাসপাতাল থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি ওই হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী।

ডা. আমিনুল বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) নাটোর জেলা শাখার আহ্বায়ক এবং নাটোর ক্লিনিক মালিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন।

হাসপাতালের কর্মীদের বরাত দিয়ে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব রহমান স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, গত রাত দেড়টার দিকে ডা. আমিনুল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় তার কক্ষে ঘুমাতে যান। তিনি কর্মীদের বলেছিলেন, সকালে যেন তাকে ডেকে দেওয়া হয়।

সকালে বারবার ডাকার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে কর্মীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং মেঝেতে আমিনুল ইসলামের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তারা পুলিশকে জানান।

বিষয়টি জানার পর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সিআইডি (পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ) ও পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) আলামত সংগ্রহ করছে, জানান মাহবুব।

যোগাযোগ করা হলে আমজাদ হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ডা. আমিনুল ইসলামের নিজের হাসপাতাল থেকে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরেও আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে এবং তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে।'

'জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জনসেবা হাসপাতালের চারজন কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে,' জানান তিনি।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে ডা. আমিনুলকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। এদিন জনসেবা হাসপাতাল পরিদর্শন করে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

আমজাদ আরও বলেন, 'ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে।'

Comments

The Daily Star  | English

Hasina can’t evade responsibility for Khaleda Zia’s death: Nazrul

In 2018, Khaleda walked into jail, but came out seriously ill, he says

10h ago