রূপপুর প্রকল্প নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে ‘নিউক্লিয়ার বাস ট্যুর’

ছবি: সংগৃহীত

ফুয়েল লোডিংয়ের মধ্য দিয়ে শিগগির রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হতে যাচ্ছে। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করার আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে সঠিক ও প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং রোসাটম মাসব্যাপী বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এ কর্মসূচির আওতায় নিউক্লিয়ার বাস ট্যুর, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক আয়োজন 'গম্ভীরা' ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়মূলক কার্যক্রম 'উঠান বৈঠক' বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কর্মসূচির প্রথম ধাপে প্রকল্প এলাকায় নিউক্লিয়ার বাস ট্যুর কর্মসূচি রোববার শেষ হয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ফোকাল পয়েন্ট (গণমাধ্যম) কর্মকর্তা সৈকত আহমেদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, এ বাস ট্যুরের মাধ্যমে পাবনা জেলার সব উপজেলার সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা, পরিবেশ ও প্রযুক্তিগত এবং আর্থ-সামাজিক গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত হচ্ছেন।

পাঁচদিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে পারমাণবিক তথ্য কেন্দ্র এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে পারমাণবিক প্রযুক্তি বিষয়ক বিতর্ক ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

এই বিতর্ক অনুষ্ঠানে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও রোসাটমের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সৈকত আহমেদ বলেন, 'রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প দেশের গর্বের বিষয়। পাবনাবাসীর জন্য এ প্রকল্পের গুরুত্ব আরও বেশি। স্থানীয় জনগণের মধ্যে এ প্রকল্পকে ঘিরে নানা প্রশ্ন, ভুল ধারণা, উদ্বেগ ও কৌতূহল নিরসনে প্রকল্প সম্পর্কে সহজ, স্পষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরার জন্য নিউক্লিয়ার বাস ট্যুরের আয়োজন করা হয়েছে।'

চলতি মাসে আরও দুটি প্রচারণামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় 'গম্ভীরা: স্বপ্ন পূরণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র' এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে একাধিক উঠান বৈঠক।

Comments

The Daily Star  | English
Khaleda Zia political legacy in Bangladesh

The magic of Khaleda Zia

Her last speeches call for a politics of ‘no vengeance’.

1d ago