‘এত রক্ত কেন ঝরবে, র‌্যাপার হান্নানের মুক্তি চাই’

ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন কণ্ঠশিল্পী, ব্যান্ডদল ও গীতিকার-সুরকাররা।

আজ শনিবার বিকেল ৩টায় তারা সংহতি প্রকাশ করতে রবীন্দ্র সরোবর জড়ো হন।

এ সময় তাদের হাতে বাংলা গানের লাইন দিয়ে তৈরি ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়, যা বিভিন্ন সময় আন্দোলন ও প্রতিবাদে মানুষের মুখে মুখে ছিল। বক্তারা র‍্যাপার হান্নানের মুক্তিসহ শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

ছবি: স্টার

এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ব্যান্ড তারকা মাকসুদ, পার্থ বড়ুয়া, হামিন আহমেদ, টিপু, প্রিন্স মাহমুদ, আসিফ আকবর, মাইলস, সোলস, শিরোনামহীন, ওয়ারফেজ, আর্টসেল, এশেজ, সুজিত মোস্তফা, শারমিন সুলতানা সুমি, এলিটা করিম, শওকত আলী ইমন, জয় শাহরিয়ার, সুজন আরিফ, মুহিন, আর্নিক, রাফাত, দোলা, জাহিদ নীরব, গীতিকার লতিফুল ইসলাম শিবলী, রাসেল মাহমুদ, সন্ধি, সোমেশ্বর অলি, তারেক আনন্দসহ অনেকেই।

ব্যান্ড তারকা মাকসুদ বলেন, `প্রথমেই আমরা র‍্যাপার হান্নানের মুক্তি চাইছি, ছাত্রদের এত রক্ত ঝরছে তার বিচার আশা করছি। এত রক্ত কেন ঝরবে? এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতায় অনেক মানুষ মারা গেছে। তাদের বিচার আশা করছি।'

র‌্যাপার হান্নানের মুক্তির দাবি জানান তারা। ছবি: স্টার

গীতিকার সুরকার প্রিন্স মাহমুদ বলেন, 'আমরা র‍্যাপার হান্নানের মুক্তি চাই। যত জলদি সম্ভব তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। অনেকেই বলছেন এত পরে আমরা কেন এখানে এসেছি। প্রথম থেকে ছাত্রদের দাবির প্রতি আমাদের সমর্থন ছিল। আমরা রাতে ঘুমাতে পারি না। এইসব হত্যাকাণ্ডের বিচার আমরা চাইছি।'

আসিফ আকবর বলেন, 'কোটার অধিকার চাইতে গিয়ে আমাদের সন্তানদের কেন গুলিবিদ্ধ হতে হবে। তাদের রাজপথে হত্যা করা হয়েছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি করা হয়েছে। এইসব হত্যার বিচার যতক্ষণ পাব না, আমরা আমার এই সন্তানদের সঙ্গে আছি।'

ছবি: শেখ মেহেদী মোরশেদ/স্টার

সমাবেশ শেষে তাদের মধ্যে অনেকে রবীন্দ্র সরোবরে সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিতে শহীদ মিনারের কর্মসূচিতে যান।

Comments

The Daily Star  | English
‘King’s parties’ rounded up for polls

Towards hope, with the vote in sight

We step into the new year with hope and optimism as new beginnings are wont to be, the national election on the horizon is all the more reason to look ahead to 2026.

7h ago