জুলাই-আগস্টে মানবাধিকার লঙ্ঘন: জাতিসংঘ মিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ ১৩ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের পাকিজা এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ। ছবিটি গত ১৯ জুলাই তোলা। ছবি: আকলাকুর রহমান আকাশ/ স্টার

জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নিপীড়নের ঘটনায় জাতিসংঘের তথ্য-অনুসন্ধানী মিশনের প্রতিবেদন আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে।

জেনাভায় এক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন। তার সঙ্গে থাকবেন এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রোরি মুঙ্গোভেন, মানবাধিকার কর্মকর্তা জ্যোৎস্না পৌড়িয়াল এবং প্রধান মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি।

আজ সোমবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের ওয়েব টিভিতে সংবাদ সম্মেলনটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

গত ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের তদন্ত করেছে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের নিযুক্ত পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল ১৬ সেপ্টেম্বর স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করে।

মিশনটি দেশের বিভিন্ন এলাকা সফর করে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের বিষয়ে সরাসরি তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন মানুষজন, গোষ্ঠী ও সংস্থার সঙ্গে কথা বলে।

ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারকে প্রতিবেদন শেয়ার করেছে মিশন। 

এ তথ্য জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, 'এটি একটি স্বাধীন মিশন। তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সুপারিশ থাকতে পারে, বা নাও থাকতে পারে।' 

তিনি আরও বলেন, 'জুলাই-আগস্টের ঘটনার বিষয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের তদন্ত প্রতিবেদন রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সংস্কারসহ বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নত করতে তাদের সুপারিশ কার্যকর হতে পারে।'

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে অন্তত ৬৫০ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে।

এর মধ্যে, ১৬ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আর ৫-৬ আগস্টের মধ্যে প্রায় ২৫০ জন নিহত হন।


 

Comments

The Daily Star  | English

Trump says US oil firms to head into Venezuela

US companies to invest heavily in Venezuela’s oil sector, Trump says

14m ago