তিন সংস্করণে তিন অধিনায়ক প্রসঙ্গে হাসি থামাতে পারছিলেন না সিমন্স
টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি- তিন সংস্করণে বাংলাদেশের অধিনায়ক তিনজন। বেশিরভাগ টেস্ট খেলুড়ে দল সাদা ও লাল বলে আলাদা অধিনায়ক রাখতে তিন অধিনায়ক দেখা যায় কম। বাংলাদেশ সেদিক থেকে ব্যতিক্রমের দলে। তিন অধিনায়ক কনসেপ্টে শুরুতে একমত না হলেও পরে তা মেনে নিয়ে টেস্ট অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। একই প্রসঙ্গে মতামত জানতে চাইলে প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের ইঙ্গিতময় হাসি যেন থামতেই চাইল না।
তিন সংস্করণেই এক সময় বাংলাদেশের নেতৃত্বে ছিলেন শান্ত। টি-টোয়েন্টি পারফরম্যান্স নাজুক হওয়ায় সংক্ষিপ্ততম সংস্করণ থেকে বাদ পড়েন তিনি। সেখানে অধিনায়কত্ব পান লিটন দাস। তবে ওয়ানডে ও টেস্ট ছিলো শান্তর কাছে। চলতি বছর শ্রীলঙ্কা সফরের আগে শান্তকে ওয়ানডের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে সেখানে আনা হয় মেহেদী হাসান মিরাজকে। তিন অধিনায়ক যুগে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
তবে বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি শান্ত, তিন অধিনায়ক কনসেপ্টের বিরোধিতা করে লঙ্কা সফর শেষে টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন তিন। তবে বছরের শেষ প্রান্ত এসে আরেক টেস্ট সিরিজ যখন নিকটে এলো সেই শান্তকেই ফের রাজি করানো হলো। তিন অধিনায়কই থাকল বাংলাদেশের।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্ট নিয়ে যখন সব আলোচনা তখন অধিনায়কত্বের প্রসঙ্গ এলো। সিমন্সের কাছে জানতে চাওয়া হয় তিন অধিনায়ক ভাবনা তিনি সমর্থন করেন কিনা এবং তিন অধিনায়ক সামলানো কঠিন কিনা।
উত্তর দিকে গিয়ে বেশ কয়েক সেকেন্ড হাসতে থাকেন সিমন্স, উত্তর দিতে গিয়ে আবার হেসে ফেলেন। পরে বলেন, 'আমি শুধু একটা অংশের উত্তর দিতে পারি। অধিনায়কদের সামলানোতে আমার সমস্যা হচ্ছে না। প্রশ্নের অন্য অংশের উত্তর দিতে পারছি না।'


Comments