যারা বলেছিল আমি ইউরোপে ফিরতে চাই, তারা মিথ্যাবাদী: বেনজেমা

গত জানুয়ারি মাসে করিম বেনজেমার ইউরোপে ফেরার গুঞ্জন চাউর হয়েছিল। অভিজ্ঞ ফরাসি স্ট্রাইকারের সঙ্গে জড়িয়েছিল সাবেক ঠিকানা রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নাম। শেষ পর্যন্ত যদিও সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল ইত্তিহাদেই থেকে গেছেন তিনি। তবে ওসব জল্পনা-কল্পনা যারা ছড়িয়েছিল, তাদের সমালোচনায় মুখর হলেন ২০২২ সালের ব্যালন দি'অর জয়ী তারকা।

প্রো লিগের চলতি মৌসুমের মধ্যবর্তী বিরতি ছিল গত ১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বিরতির শুরুর দিকে মরিশাসে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন বেনজেমা। কিন্তু ছুটি শেষ হওয়ারও ১৭ দিন পর তিনি যোগ দেন আল ইত্তিহাদে। ফলে দুবাইতে হওয়া অনুশীলন ক্যাম্পে সতীর্থদের সঙ্গে থাকতে পারেননি। ক্লাবটির একজন প্রতিনিধি সেসময় বলেছিলেন, টানা ১০ দিন চেষ্টা করেও বেনজেমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন তারা। যদিও জানা গিয়েছিল, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আফ্রিকার দ্বীপদেশটিতে আটকা পড়েছিলেন তিনি।

এরপর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছিল, বেনজেমা দেরিতে ফেরায় কোচ মার্সেলো গ্যালার্দোসহ আল ইত্তিহাদের কর্তৃপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়েছিল। ফলে ক্লাবটির সঙ্গে তার সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। যারা জেরে যোগ দেওয়ার মাত্র ছয় মাসের মাথায় তিনি ক্লাব ছাড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেসব খবর মিলিয়ে গেছে হাওয়ায়। মধ্যবর্তী বিরতি শেষে খুশি মনে আল ইত্তিহাদের জার্সিতে মাঠে ফিরেছেন বেনজেমা।

এই প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে ৩৬ বছর বয়সী ফুটবলার বলেছেন, 'আমি ফিরে এসেছি এবং ভালো অনুভব করছি। আমার বিদায় নেওয়ার খবর সত্যি নয়। আমি সৌদি আরবে আনন্দে আছি।'

কোচের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও ইউরোপে ফেরার গুঞ্জন তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন বেনজেমা, 'গ্যালার্দোর সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা নেই। যারা বলেছিল আমি ইউরোপে ফিরতে চাই, তারা মিথ্যাবাদী। আমি আল ইত্তিহাদে খুব সুখে আছি। আমার দিক থেকে কারও সঙ্গে কোনো সমস্যা নেই। আমার অনুপস্থিতিতে কোচকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন, আমি দুবাইতে অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিতে তৈরি ছিলাম।'

গত বছরের জুনে বিস্ময় জাগিয়ে স্প্যানিশ পরাশক্তি রিয়ালের সঙ্গে বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের ইতি টেনে আল ইত্তিহাদে নাম লেখান বেনজেমা। তাকে দলে টানতে কোনো ট্রান্সফার ফি লাগেনি প্রো লিগের ক্লাবটির। তাদের হয়ে এখন পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২২ ম্যাচ খেলে ১২ গোল করেছেন তিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Millions mourn

The entire city stood in solemn tribute to Bangladesh’s first female prime minister yesterday.

6h ago