ভারতে 'গোট ট্যুরে' নিজের ভাস্কর্য উন্মোচন করবেন মেসি

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। তিন দিনের বিশেষ 'গোট ট্যুর' উপলক্ষে শনিবার কলকাতায় নিজের ২১ মিটার (৭০ ফুট) উচ্চতার ভাস্কর্য উন্মোচন করবেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরা অবস্থায় তৈরি এই বিশাল লৌহমূর্তি ইতোমধ্যে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে রীতিমতো উন্মাদনা ছড়িয়েছে।

যদিও নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসি সরাসরি উপস্থিত থাকছেন না, ভিডিও কলের মাধ্যমে তিনি মূর্তিটি উন্মোচন করবেন। কলকাতায় তৈরি হয়েছে বিশেষ "হোলা মেসি" ফ্যান জোন, যেখানে দেখা যাচ্ছে সিংহাসনে বসে থাকা মেসির জীবন–আকারের প্রতিকৃতি। আরও রয়েছে তার মায়ামির বাড়ির নিখুঁত প্রতিরূপ, এমনকি পরিবারের সদস্যদের ম্যানেকুইনও সাজানো হয়েছে সেখানে।

৬৪ বছর বয়সী সমীর নন্দীর মতো বহু সমর্থকের কাছে এটি স্বপ্নপূরণের সমান। তিনি বলেন, 'কেবল সাফল্য নয়, তার ধৈর্য আর লড়াই আমাকে মেসির প্রতি আরও অনুরক্ত করেছে। এই ভাস্কর্য তার জন্য যথার্থ সম্মান।'

মূর্তিটির প্রধান শিল্পী মন্টি পল জানান, মাত্র ৪০ দিনে তৈরি হয়েছে এই বিশাল ভাস্কর্য। তার ভাষায়, "মেসির ভাস্কর্য তৈরি করা গর্বের ব্যাপার। এটি আমার নির্মিত সবচেয়ে উঁচু ভাস্কর্য।"

আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী মেসির এই সফরে আরও রয়েছে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান ও ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে সাক্ষাৎ। কলকাতায় একটি সংক্ষিপ্ত প্রীতি ম্যাচও খেলবেন তিনি।

ভারত সফরকে সম্মান মনে করছেন মেসি। তিনি বলেন, 'ভারত আমার কাছে বিশেষ একটি দেশ। ১৪ বছর আগে এখানে যে ভালোবাসা পেয়েছিলাম, তা আজও মনে আছে। এখানে নতুন প্রজন্মের ভক্তদের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছি।'

কলকাতা সফর শেষে মুম্বাই, হায়দরাবাদ ও দিল্লি ভ্রমণ করবেন মেসি। হায়দরাবাদে তার সম্মানে একটি কনসার্টও আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীতে থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

ইন্টার মায়ামিকে এমএলএস শিরোপা জেতানোয় কয়েকদিন আগেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো এমএলএসের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হয়েছেন মেসি। আগামী জুন-জুলাইয়ে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা রক্ষার মিশনেও নেতৃত্ব দেবেন তিনি।

Comments

The Daily Star  | English
Khaleda Zia political legacy in Bangladesh

The magic of Khaleda Zia

Her last speeches call for a politics of ‘no vengeance’.

1d ago