দুই টেক্টর ভাইয়ের ব্যাটে আয়ারল্যান্ডের লড়াইয়ের পুঁজি
ব্যাট করার জন্য বেশ ভালো উইকেটে আগে ব্যাট করতে নেমে ফিফটি করেছেন হ্যারি টেক্টর, গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলছেন তার ছোট ভাই টিম টেক্টরও। তবে তাও দুইশো ছুঁতে পারেনি আইরিশরা।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ৪ উইকেটে ১৮১ রান করেছে আয়ারল্যান্ড। ৪৫ বলে অপরাজিত ৬৯ রান করেছেন হ্যারি টেক্টর। টিম টেক্টর ১৯ বলে করেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ রান। বাংলাদেশের হয়ে ২ উইকেট নেন তানজিম, তবে ৪ ওভারে তিনি দিয়ে দেন ৪১ রান। মোস্তাফিজুর রহমান উইকেট না পেলেও ছিলেন সবচেয়ে কার্যকর। ৪ ওভারে দেন কেবল ২৩ রান।
খেলা শুরুর আগে মাঠ থেকে উইকেট আলাদা করা যাচ্ছিলো না, উইকেটে থাকা ঘাসের আচ্ছাদনের কারণ বল ব্যাটে আসছিলো অনায়াসে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আদর্শ কন্ডিশনে উড়ন্ত শুরু আনেন পল স্টার্লিং-টিম টেক্টর। প্রথম চার ওভারে দশের উপর রান আনতে থাকেন তারা।
পাওয়ার প্লের ভেতর অবশ্য এই জুটি ভাঙতে পারে বাংলাদেশ। তানজিম হাসান সাকিবের বলে আকাশে উঠিয়ে ফিরে যান আইরিশ অধিনায়ক (১৮ বলে ২১)। টিমের সঙ্গে এরপর যোগ দেন তার বড় ভাই হ্যারি। দুই ভাইয়ের জুটিতে ২৪ বলে আসে ৩১ রান। উড়তে থাকা টিমের ডানা টেনে ধরেন রিশাদ হোসেন। ছক্কা মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে তানজিদ হাসান তামিমের হাতে জমা পড়েন টিম।
হ্যারির সঙ্গে এরপর লোরকান টাকারও জুটি জমিয়ে তুলেছিলেন। দুজনের জুটিতে ২৫ বলে ৩৪ আসার পর ব্রেক থ্রো দেন প্রথম দুই ওভারে খরুচে বল করা শরিফুল ইসলাম।
হ্যারির সঙ্গে মিলে টেস্টের ছন্দ টেনে দলকে টানছিলেন কার্টিস ক্যাম্পের। মোস্তাফিজকে ছক্কায় উড়িয়ে বড় কিছুর আভাস দিচ্ছিলেন তিনি।
তার উইকেট ফেলেছেন তানজিম, তবে এই উইকেটের পেছনে মূল অবদান পারভেজ হোসেন ইমনের। কাভারে ছুটে গিয়ে উড়ন্ত অবস্থায় ছোঁ মেরে ক্যাচ লুফে নেন পারভেজ। ক্যাম্পের ১৭ বলে ২৪ করে ফেরায় ভাঙে ৪৪ রানের জুটি। আরেক পাশে তখন ৩৭ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেছেন হ্যারি।
মোস্তাফিজের ১৯তম ওভারে যথেষ্ট রান আনতে না পারলেও তানজিমের শেষ ওভারে তিনি পুষিয়ে দেন। দলকে এনে দেন লড়াইয়ের পুঁজি


Comments